পশ্চিমবঙ্গের লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী প্রতি বছর একই প্রশ্ন করে। ভালো নম্বর পেয়ে ভালো কলেজে ভর্তি হওয়ার পর আসল চিন্তা শুরু হয় – ফি, বই, হোস্টেল আর যাতায়াতের খরচ পরিবার কীভাবে দেবে। অনেক পরিবারে এই চিন্তা ক্লাস 11 থেকে শুরু হয় এবং গ্র্যাজুয়েশন ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েশনের সময় পর্যন্ত চলতে থাকে। এই চিন্তা কমানোর জন্যই স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট-কাম-মিন্স স্কলারশিপ, সংক্ষেপে SVMCM Scholarship তৈরি করা হয়েছে। এটি পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় রাজ্য স্তরের স্কলারশিপগুলির মধ্যে একটি, এবং বহু বছর ধরে কম আয়ের পরিবারের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যেতে সাহায্য করে আসছে।
এই গাইডে আমরা ধাপে ধাপে, সঠিক ক্রমে এই স্কিম সম্পর্কে সবকিছু জানাব। প্রথমে জানবেন এই স্কলারশিপ কাদের জন্য এবং কোন কোন স্তরের পড়াশোনা এতে আসে। তারপর আসবে যোগ্যতার নিয়ম, পারিবারিক আয়ের সীমা, প্রয়োজনীয় নথি, নতুন আবেদন ও রিনিউয়ালের পার্থক্য, মেয়েদের জন্য বিশেষ Kanyashree K3 পথ, এবং শেষে অনলাইনে আবেদন করার সম্পূর্ণ পদ্ধতি। শেষে থাকবে সেই প্রশ্নগুলির উত্তর, যা ছাত্রছাত্রীরা সবচেয়ে বেশি করে থাকে। আপনি ক্লাস 11, ক্লাস 12, গ্র্যাজুয়েশন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন, ডিপ্লোমা, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেল বা গবেষণার পড়াশোনা যেটাই করুন না কেন, এই গাইড আপনার জন্যই লেখা।
শুরুতেই একটি কথা পরিষ্কার করে দেওয়া দরকার। এই গাইড লেখার সময় আমরা কোনো তারিখ বা টাকার অঙ্ক আন্দাজে লিখিনি। এখানে দেওয়া প্রতিটি তথ্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অফিসিয়াল পোর্টাল থেকে নেওয়া। যেখানে 2026-27 সালের অফিসিয়াল তথ্য এখনও প্রকাশ হয়নি, সেখানে আমরা পরিষ্কারভাবে TBA লিখেছি, যার অর্থ তারিখ এখনও ঘোষণা হয়নি। ইন্টারনেটের অনেক ব্লগ আলাদা আলাদা তারিখ দেখাচ্ছে, কিন্তু সেই তারিখগুলির কোনোটিই অফিসিয়াল পোর্টালে নেই। তাই কোনো ব্লগের তারিখকে ভরসা করবেন না। আবেদন করার আগে সবসময় অফিসিয়াল পোর্টালে তারিখ যাচাই করে নিন।
SVMCM Scholarship 2026-27: এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| স্কিমের নাম | Swami Vivekananda Merit-Cum-Means Scholarship (SVMCM), যাকে Bikash Bhavan Scholarship-ও বলা হয় |
| রাজ্য | পশ্চিমবঙ্গ |
| বিভাগ | Department of Higher Education, Government of West Bengal |
| শিক্ষাবর্ষ | 2026-27 |
| অফিসিয়াল পোর্টাল | svmcm.wb.gov.in (SVMCM V4.2) |
| নতুন আবেদন শুরুর তারিখ | TBA – এখনও ঘোষণা হয়নি, অফিসিয়াল পোর্টালে যাচাই করুন |
| রিনিউয়াল আবেদন শুরুর তারিখ | TBA – এখনও ঘোষণা হয়নি, অফিসিয়াল পোর্টালে যাচাই করুন |
| আবেদনের শেষ তারিখ | TBA – এখনও ঘোষণা হয়নি, অফিসিয়াল নোটিশের অপেক্ষা করুন |
| আবেদনের পদ্ধতি | শুধুমাত্র অনলাইনে, অফিসিয়াল পোর্টালের মাধ্যমে |
| কোন স্তরের জন্য | ক্লাস 11, ক্লাস 12, UG, PG, Diploma, Engineering, Medical, M.Phil, Ph.D |
| ন্যূনতম নম্বর | HS ও UG স্তরে 60 শতাংশ, PG স্তরে 53 শতাংশ, Kanyashree K3-র জন্য 45 শতাংশ |
| পারিবারিক আয়ের সীমা | বছরে 2,50,000 টাকার বেশি নয় |
| টাকা পাওয়ার পদ্ধতি | Direct Benefit Transfer (DBT), সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে |
| আবেদনের হার্ড কপি | জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই |
2026-27 সালের তারিখ: এখন কী অবস্থা
5 নভেম্বর 2026 তারিখে যখন আমরা অফিসিয়াল পোর্টাল svmcm.wb.gov.in যাচাই করি, তখন পোর্টালে এখনও 2025-26 শিক্ষাবর্ষের তথ্য দেখা যাচ্ছিল। হোম পেজের Alert-এ লেখা ছিল যে 2025-26 শিক্ষাবর্ষের জন্য নতুন ও রিনিউয়াল আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। 2026-27 শিক্ষাবর্ষের জন্য কোনো নতুন তারিখ, কোনো নোটিশ বা আলাদা Alert পোর্টালে কোথাও দেখা যায়নি। অফিসিয়াল About পেজেও যোগ্যতা ও টাকার তথ্য 2025-26 শিক্ষাবর্ষের হিসাবেই ছাপা আছে। এর সোজা অর্থ হলো, 2026-27 সালের আবেদন শুরুর তারিখ ও শেষ তারিখ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়নি।
গত শিক্ষাবর্ষে নতুন আবেদন শুরু হয়েছিল 28 নভেম্বর 2025 থেকে। সেই কারণে অনেক ব্লগ আন্দাজ করছে যে 2026-27 সালের আবেদনও নভেম্বর 2026-এ শুরু হতে পারে। কিন্তু এটি শুধুই আন্দাজ, অফিসিয়াল তারিখ নয়। কিছু ব্লগ 31 ডিসেম্বর 2026, কিছু জানুয়ারি 2027, আবার কিছু 6 নভেম্বরকে শেষ তারিখ বলে দেখাচ্ছে। এই তারিখগুলি একে অপরের সঙ্গে মেলে না, এবং কোনো তারিখের উৎসই অফিসিয়াল পোর্টাল নয়। আমাদের পরামর্শ খুব সোজা – কোনো ব্লগের তারিখকে শেষ তারিখ বলে ধরে বসে থাকবেন না। আবেদন শুরু হলে অফিসিয়াল পোর্টালে Alert জারি হয়, এবং সেটাই একমাত্র ভরসাযোগ্য উৎস। এর মধ্যে আপনি আপনার নথিগুলি তৈরি করে রাখতে পারেন, যাতে পোর্টাল খুললেই আবেদন করতে পারেন।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ছাত্রছাত্রীদের জন্য একটি আলাদা পথ আছে, যা বোঝা জরুরি। সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীরা SVMCM-এর জন্য NSP-WB পোর্টাল nspwb.wbmdfc.org-এর মাধ্যমে আবেদন করে, যা Aikyashree স্কিমের অধীনে চলে। সেই পোর্টালে 2026-27 শিক্ষাবর্ষের আবেদন 1 আগস্ট 2026 থেকে শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু এই তারিখ মূল SVMCM পোর্টাল svmcm.wb.gov.in-এর তারিখ নয়। দুটি পোর্টাল আলাদা, এবং তাদের সময়সূচিও আলাদা। তাই সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীরা NSP-WB পোর্টাল দেখবে, আর বাকিরা মূল SVMCM পোর্টাল দেখবে।
SVMCM Scholarship কী
স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট-কাম-মিন্স স্কলারশিপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের Higher Education Department-এর একটি স্কিম। এর উদ্দেশ্য অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যেতে সাহায্য করা। 2016 সালে এই স্কিমটি পুরোপুরি নতুন করে সাজানো হয়েছিল, যাতে বেশি সংখ্যক ছাত্রছাত্রী এর সুবিধা পায় এবং স্কলারশিপের টাকার পরিমাণও বাড়ানো যায়। তারপর থেকে এটি পশ্চিমবঙ্গের ছাত্রছাত্রীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য স্তরের স্কলারশিপগুলির মধ্যে একটি হয়ে আছে। একে Bikash Bhavan Scholarship নামেও ডাকা হয়, কারণ এর সঙ্গে যুক্ত কাজ Bikash Bhavan থেকে পরিচালিত হয়।
এই স্কিম ক্লাস 11 ও ক্লাস 12-এর ছাত্রছাত্রী, স্নাতক স্তরে Science, Arts, Commerce, Engineering, Medical ও Technical বা Professional কোর্সের ছাত্রছাত্রী, এবং স্নাতকোত্তর স্তরে Science, Arts, Commerce ও Technical বা Management কোর্সের ছাত্রছাত্রীদের সুবিধা দেয়। M.Phil ও Ph.D করা গবেষক ছাত্রছাত্রীরাও এর আওতায় আসে। স্কলারশিপ দেওয়া হয় Merit-Cum-Means ভিত্তিতে, অর্থাৎ ছাত্রছাত্রীর নম্বরও দেখা হয় এবং পরিবারের আয়ও দেখা হয়। আবেদনগুলি যোগ্যতা পরীক্ষায় পাওয়া নম্বরের নিম্নক্রম অনুযায়ী সাজানো হয়, এবং তহবিলের উপলব্ধতা অনুযায়ী মেধা তালিকার ভিত্তিতে কঠোরভাবে স্কলারশিপ মঞ্জুর করা হয়।
এই স্কিমের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, টাকা শুধুমাত্র Direct Benefit Transfer-এর মাধ্যমে সরাসরি ছাত্রছাত্রীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। এর জন্য আবেদনের সময় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর, ব্যাঙ্কের নাম এবং ব্যাঙ্কের IFSC Code দিতে হয়। আবেদনের কোনো হার্ড কপি জমা দিতে হয় না, পুরো কাজ অনলাইনেই হয়। তবে একটি কঠোর নিয়মও আছে – যে কোর্স বা স্তরের জন্য আপনি SVMCM নিচ্ছেন, সেই একই কোর্স বা স্তরের জন্য আপনি অন্য কোনো সরকারি স্কলারশিপ বা Stipend নিতে পারবেন না। তবে যেকোনো উৎস থেকে পাওয়া এককালীন অনুদান, বা প্রতিষ্ঠানের দেওয়া বিনামূল্যে বা আংশিক বিনামূল্যে পড়াশোনা এই স্কিমের সুবিধা পাওয়া থেকে বাধা দেবে না।
কারা আবেদন করতে পারবে: যোগ্যতার সম্পূর্ণ নিয়ম
আবেদন করার আগে যোগ্যতার প্রতিটি শর্ত মন দিয়ে পড়ুন, কারণ একটি শর্তও পূরণ না হলে আবেদন বাতিল হতে পারে। প্রথম শর্ত হলো, ছাত্রছাত্রীকে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হতে হবে এবং পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করতে হবে। শুধুমাত্র Regular Mode-এ পড়াশোনা করা ছাত্রছাত্রীরাই যোগ্য। Distance বা Open Mode-এ পড়াশোনা করা ছাত্রছাত্রীরা এই স্কিমের আওতায় আসে না।
দ্বিতীয় শর্ত নম্বর নিয়ে। Higher Secondary স্তর ও Undergraduate স্তরের স্কলারশিপের জন্য শেষ যোগ্যতা পরীক্ষায় মোট অন্তত 60 শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। এই পরীক্ষা West Bengal Board of Secondary Education, West Bengal Council of Higher Secondary Education বা Madrasa Education থেকে হতে হবে। Diploma কোর্স থেকে Lateral Entry-র মাধ্যমে Engineering, Technology বা Pharmacy কোর্সের দ্বিতীয় বর্ষে ভর্তি হওয়া ছাত্রছাত্রীদের জন্যও 60 শতাংশ নম্বরের শর্ত আছে, এবং তাদের Diploma AICTE অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে এবং WBSCT&VE&SD-এর অধিভুক্ত হতে হবে।
Post Graduate স্তরের জন্য নিয়ম একটু আলাদা। General Education-এ PG-র জন্য Graduation-এ Honours বিষয়ে অন্তত 53 শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। Engineering, Technology বা Pharmacy-তে PG-র জন্য Graduation-এ অন্তত 55 শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। B.Ed-এর মতো Training কোর্সের জন্য নতুন আবেদনে 53 শতাংশ এবং রিনিউয়াল আবেদনে 50 শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। Kanyashree K3 আবেদনকারী মেয়েদের PG কোর্সের জন্য ন্যূনতম নম্বর 45 শতাংশ।
তৃতীয় শর্ত পারিবারিক আয় নিয়ে। পরিবারের মোট বার্ষিক আয় 2,50,000 টাকার বেশি হওয়া চলবে না। এই সীমা Board Toppers, Kanyashree K3 আবেদনকারী এবং M.Phil বা Ph.D আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। আয়ের নথিতে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য দেওয়া গুরুতর অপরাধ বলে গণ্য হয়। কোনো পর্যায়ে তা ধরা পড়লে ইতিমধ্যে পাওয়া স্কলারশিপের টাকা ফেরত দিতে হতে পারে, ভবিষ্যতে কোনো সরকারি স্কলারশিপের জন্য আবেদন করার অধিকার সম্পূর্ণভাবে হারাতে হতে পারে এবং অন্যান্য আইনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও হতে পারে। তাই আয়ের শংসাপত্রে সবসময় সঠিক তথ্য দিন।
চতুর্থ শর্ত পাশের সাল নিয়ে। 2025-26 শিক্ষাবর্ষের জন্য অফিসিয়াল About পেজে লেখা ছিল যে ছাত্রছাত্রীকে 2025, 2024, 2023, 2022 বা 2021 সালে পাশ করতে হবে, এবং অনিবার্য কারণে সেই সালে ভর্তি হতে না পারলে বিজ্ঞাপনের সালে ভর্তি হলেও যোগ্যতা মানা হবে। 2026-27 শিক্ষাবর্ষের জন্য পাশের সালের নতুন তালিকা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ হয়নি। তাই 2026-27 সালের জন্য এই শর্তকে TBA বলে ধরুন, এবং অফিসিয়াল নোটিশ প্রকাশ হলে সেখানে দেওয়া তালিকাকেই চূড়ান্ত বলে মানুন।
কত টাকা পাওয়া যায়: কোর্স অনুযায়ী সম্পূর্ণ তালিকা
স্কলারশিপের টাকার পরিমাণ কোর্স ও স্তর অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। নিচের তালিকাটি অফিসিয়াল পোর্টালের About পেজে প্রকাশিত Allocation and Rate of Scholarship টেবিল থেকে নেওয়া হয়েছে। টাকার হার প্রতি মাসের হিসাবে দেওয়া হয়, তাই বার্ষিক টাকা জানতে মাসিক হারকে 12 দিয়ে গুণ করুন। 2026-27 শিক্ষাবর্ষের জন্য হারে পরিবর্তন হলে নতুন হার অফিসিয়াল পোর্টালেই প্রকাশ হবে। আবেদন করার আগে অফিসিয়াল পোর্টালে হার যাচাই করে নিন।
| কোর্স / স্তর | প্রতি মাসে টাকা | প্রতি বছরে টাকা |
|---|---|---|
| Higher Secondary (ক্লাস 11 ও 12) | 1,000 টাকা | 12,000 টাকা |
| D.El.Ed | 1,000 টাকা | 12,000 টাকা |
| UG Arts | 1,000 টাকা | 12,000 টাকা |
| UG Commerce | 1,000 টাকা | 12,000 টাকা |
| UG Science | 1,500 টাকা | 18,000 টাকা |
| UG অন্যান্য Professional কোর্স (UGC অনুমোদিত) | 1,500 টাকা | 18,000 টাকা |
| Polytechnic Diploma কোর্স | 1,500 টাকা | 18,000 টাকা |
| Medical Diploma কোর্স | 1,500 টাকা | 18,000 টাকা |
| PG Arts | 2,000 টাকা | 24,000 টাকা |
| PG Commerce | 2,000 টাকা | 24,000 টাকা |
| PG Science | 2,500 টাকা | 30,000 টাকা |
| PG অন্যান্য Professional কোর্স (UGC অনুমোদিত) | 2,500 টাকা | 30,000 টাকা |
| UG Engineering, PG Engineering ও অন্যান্য Professional কোর্স (AICTE অনুমোদিত) | 5,000 টাকা | 60,000 টাকা |
| UG Medical Degree (MBBS ইত্যাদি) | 5,000 টাকা | 60,000 টাকা |
| Non-NET M.Phil | 5,000 টাকা | 60,000 টাকা |
| Non-NET Ph.D | 8,000 টাকা | 96,000 টাকা |
এই তালিকা থেকে পরিষ্কার যে সবচেয়ে কম টাকা পায় Higher Secondary ও UG Arts বা Commerce-এর ছাত্রছাত্রীরা, আর সবচেয়ে বেশি টাকা পায় Non-NET Ph.D গবেষকরা। UG Engineering ও Medical ছাত্রছাত্রীরা মাসে 5,000 টাকা পায়, যা বছরে 60,000 টাকা। PG Science-এর ছাত্রছাত্রীরা মাসে 2,500 টাকা পায়। Kanyashree K3-র অধীনে PG করা মেয়েরাও একই PG হার পায় – PG Arts ও Commerce-এ মাসে 2,000 টাকা এবং PG Science-এ মাসে 2,500 টাকা। M.Phil ও Ph.D-র জন্য এই সহায়তা শুধুমাত্র Non-NET Junior Research Fellow ও NET-Lecturership গবেষকদের দেওয়া হয়, M.Phil-এর জন্য দুই বছর ও Ph.D-র জন্য চার বছরের মোট সময়সীমার মধ্যে, এবং Dissertation জমা দেওয়ার দিন পর্যন্তই। NET-LS গবেষকরা শিক্ষক হিসাবে নিযুক্ত হওয়ার দিন থেকে এই সহায়তা পাওয়া বন্ধ করে দেবে।
প্রয়োজনীয় নথি: আবেদনের আগেই তৈরি রাখুন
আবেদনের সময় নথির অভাব সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা। শেষ তারিখের অপেক্ষা না করে আগেভাগে আবেদন করা ভালো, তাই নথিগুলি আগেই তৈরি রাখুন। নতুন আবেদনকারীদের সাধারণত এই নথিগুলি লাগে – শেষ পরীক্ষার Marksheet, পারিবারিক আয়ের শংসাপত্র, ভর্তির প্রমাণ বা ফি রসিদ, ব্যাঙ্ক পাসবুকের কপি, Aadhaar Card, Domicile শংসাপত্র, পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও স্বাক্ষর, এবং একটি চালু মোবাইল নম্বর ও ইমেল ID। Kanyashree K3-র অধীনে আবেদনকারী মেয়েদের আয়ের শংসাপত্র বা আয়ের হলফনামা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এই ছাড় অফিসিয়াল নিয়মে পরিষ্কারভাবে লেখা আছে।
রিনিউয়াল আবেদনকারীদের আগের বছরের Marksheet দিতে হয়। Directorate of Public Instruction-এর অধীনে General Degree ও PG Degree ছাত্রছাত্রীদের প্রথম রিনিউয়ালের জন্য Semester 1 ও Semester 2-এর Marksheet এবং দ্বিতীয় রিনিউয়ালের জন্য Semester 3 ও Semester 4-এর Marksheet দিতে হয়। MBBS ছাত্রছাত্রীদের প্রথম রিনিউয়ালের জন্য 1st MBBS-এর Marksheet, দ্বিতীয় রিনিউয়ালের জন্য 2nd Prof MBBS-এর Marksheet এবং তৃতীয় ও শেষ রিনিউয়ালের জন্য 3rd Prof Part 1 MBBS-এর Marksheet দিতে হয়। সব নথি পরিষ্কার ও পড়ার মতো হতে হবে। ঝাপসা বা কাটা কপি আপলোড করলে আবেদন আটকে যেতে পারে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছাত্রছাত্রীর নিজের নামে হতে হবে এবং Aadhaar-এর সঙ্গে যুক্ত থাকা উচিত, যাতে DBT পেমেন্ট কোনো বাধা ছাড়াই হয়। স্কলারশিপের টাকার লেনদেন ব্যর্থ হলে, আগের আর্থিক বছরের ব্যর্থ লেনদেন সংশোধনের শেষ তারিখ প্রতি বছর 30 জুন, IFMS নিয়ম অনুযায়ী।
নতুন আবেদন কীভাবে করবেন: ধাপে ধাপে পদ্ধতি
নতুন আবেদন মানে আপনি প্রথমবার SVMCM-এর জন্য আবেদন করছেন। আবেদন শুধুমাত্র অনলাইনে, অফিসিয়াল পোর্টাল svmcm.wb.gov.in-এ করা হয়। শুরু করার আগে সঠিক Directorate বেছে নিন, কারণ আপনার কোর্স কোন Directorate-এর অধীনে পড়ে তা খুব গুরুত্বপূর্ণ। School Education-এর ছাত্রছাত্রীরা DSE, General Degree ছাত্রছাত্রীরা DPI, Engineering ও Technical কোর্সের ছাত্রছাত্রীরা DTE, Polytechnic ছাত্রছাত্রীরা DTE&T এবং Medical কোর্সের ছাত্রছাত্রীরা DME-র অধীনে আসে। ভুল Directorate বেছে নিলে আবেদন ভুল জায়গায় চলে যাবে।
- প্রথমে অফিসিয়াল পোর্টাল svmcm.wb.gov.in খুলুন এবং দেখুন 2026-27 শিক্ষাবর্ষের জন্য নতুন আবেদন শুরু হয়েছে কি না। পোর্টালের Alert ও তারিখ অবশ্যই যাচাই করুন।
- হোম পেজে Registration বা Apply for Fresh Application বিকল্পটি বেছে নিন।
- আপনার Directorate বেছে নিন – DSE, DPI, DTE, DTE&T বা DME, আপনার কোর্স অনুযায়ী।
- Registration ফর্মে আপনার নাম, জন্ম তারিখ, মোবাইল নম্বর, ইমেল ID এবং শেষ পরীক্ষার তথ্য লিখুন। West Bengal Board বা Council থেকে পাশ করা ছাত্রছাত্রীদের নম্বরের তথ্য অনেক ক্ষেত্রে নিজে থেকেই ভরে যায়।
- মোবাইলে আসা OTP দিয়ে Verification করুন। সফল Verification-এর পর একটি Applicant ID তৈরি হবে, যা SMS ও ইমেলে পাঠানো হবে। এই ID ও Password যত্ন করে রাখুন।
- Applicant ID দিয়ে Login করুন এবং আবেদন ফর্মটি সম্পূর্ণ করুন – ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত তথ্য, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য ও পারিবারিক আয়ের তথ্য।
- প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করুন। আয়ের শংসাপত্র, Marksheet, ভর্তির প্রমাণ, ব্যাঙ্ক পাসবুক ও Domicile শংসাপত্রের পরিষ্কার কপি আপলোড করুন।
- ফর্ম Submit করার আগে প্রতিটি তথ্য আবার যাচাই করুন। নামের বানান, নম্বর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর বা IFSC Code-এ কোনো ভুল যেন না থাকে।
- Submit করার পর Acknowledgement বা Application ID যত্ন করে রাখুন। এটি দিয়েই পরে আপনি আবেদনের Status যাচাই করতে পারবেন।
- আপনার প্রতিষ্ঠান থেকে Verification-এর অবস্থার দিকে নজর রাখুন, কারণ প্রতিষ্ঠান ও Directorate স্তরে যাচাইয়ের পরেই স্কলারশিপ মঞ্জুর হয়।
রিনিউয়াল আবেদন কীভাবে করবেন: পুরোনো ছাত্রছাত্রীদের জন্য নিয়ম
আপনি যদি ইতিমধ্যে SVMCM স্কলারশিপ পাচ্ছেন এবং পরের বছর বা পরের স্তরের পড়াশোনায় যাচ্ছেন, তাহলে আপনাকে রিনিউয়াল আবেদন করতে হবে। রিনিউয়ালের জন্য আবার Registration করার প্রয়োজন নেই। আপনি আপনার পুরোনো Applicant ID ও Password দিয়ে সরাসরি Login করে রিনিউয়াল ফর্ম পূরণ করতে পারেন। পরের উচ্চ শ্রেণিতে ভর্তির এক মাসের মধ্যে রিনিউয়াল আবেদন অনলাইনে জমা দিতে হয়, প্রথম প্রচেষ্টায় পাশ করে Promotion পাওয়ার পর। এই নিয়ম অফিসিয়াল নির্দেশিকায় পরিষ্কারভাবে লেখা আছে, তাই ভর্তির পর রিনিউয়ালে দেরি করবেন না।
রিনিউয়ালের জন্য নম্বরের শর্তও আছে। Higher Secondary স্তর থেকে Undergraduate স্তরে রিনিউয়ালের জন্য Promotion পরীক্ষায় দুটি Semester মিলিয়ে অন্তত 60 শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। Post Graduate স্তরে রিনিউয়ালের জন্য দুটি Semester মিলিয়ে অন্তত 50 শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। Semester পদ্ধতিতে সব Semester পরীক্ষা প্রথম প্রচেষ্টায় পাশ করতে হবে। কোনো Semester পরীক্ষা প্রথম প্রচেষ্টায় পাশ না হলে রিনিউয়ালে সমস্যা হতে পারে। রিনিউয়াল শুধুমাত্র সেই স্তরের পড়াশোনার জন্যই হয়, যে স্তরে আপনি আগে থেকেই স্কলারশিপ পাচ্ছেন। রিনিউয়াল আবেদনে আপনার নতুন Marksheet আপলোড করুন এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য এখনও সঠিক আছে কি না যাচাই করুন।
Kanyashree K3: PG করা মেয়েদের জন্য বিশেষ পথ
Kanyashree Prakalpa-র K3 স্তর সেই মেয়েদের জন্য যারা Graduation-এর পর Post Graduate পড়াশোনা করছে। অফিসিয়াল নিয়ম অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি থেকে Science, Arts ও Commerce-এ PG করা মেয়েরা, যারা রাজ্যের কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে Graduation-এ মোট 45 শতাংশ নম্বর পেয়েছে, তারা Kanyashree K3 আবেদনকারী হিসাবে SVMCM-এর আওতায় আসে। এটি Kanyashree K2-র সুবিধাভোগী মেয়েদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, তারা বিবাহিত হোক বা অবিবাহিত, যারা এই ধারায় PG কোর্স করছে।
K3 আবেদনকারীরা দুটি বড় ছাড় পায়। প্রথমত, তাদের ক্ষেত্রে আয়ের সীমা প্রযোজ্য নয়, তাই তাদের আয়ের শংসাপত্র বা আয়ের হলফনামা দিতে হয় না। দ্বিতীয়ত, তাদের জন্য ন্যূনতম নম্বরের সীমা 53 শতাংশের বদলে 45 শতাংশ। K3 মেয়েরা PG Arts ও Commerce-এ মাসে 2,000 টাকা এবং PG Science-এ মাসে 2,500 টাকা পায়। আপনি যদি Kanyashree K2-র সুবিধাভোগী হন এবং এখন PG-তে ভর্তি হয়েছেন, তাহলে আবেদনের সময় Kanyashree বিকল্পটি সঠিকভাবে বেছে নিন এবং আপনার Kanyashree ID-র তথ্য তৈরি রাখুন।
সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীরা লক্ষ্য করুন: NSP-WB পোর্টালের আলাদা পথ
আপনি যদি সংখ্যালঘু সম্প্রদায় – মুসলিম, খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন বা পারসি – থেকে আসেন, তাহলে SVMCM-এর জন্য আপনার আবেদন Aikyashree স্কিমের অধীনে NSP-WB পোর্টাল nspwb.wbmdfc.org-এর মাধ্যমে হয়। এই পোর্টালটি পরিচালনা করে West Bengal Minorities Development and Finance Corporation (WBMDFC)। 2026-27 শিক্ষাবর্ষের জন্য এই পোর্টালে আবেদন 1 আগস্ট 2026 থেকে শুরু হয়ে গেছে। এই তারিখ মূল SVMCM পোর্টালের সময়সূচি থেকে আলাদা, তাই দুটিকে গুলিয়ে ফেলবেন না। সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীদের জন্য যোগ্যতার শর্ত – 60 শতাংশ নম্বর, 2,50,000 টাকার আয়ের সীমা ও পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হওয়া – মূল স্কিমের মতোই। এই পথ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমাদের Aikyashree Scholarship 2026-27 গাইড পড়ুন।
আরও সহায়ক গাইড পড়ুন: Aikyashree Scholarship 2026-27: যোগ্যতা ও আবেদন পদ্ধতি, Nabanna Scholarship 2026 West Bengal: 10,000 টাকার সহায়তা এবং Aikyashree Scholarship 2026-27 Guide (English)।
আবেদন বাতিল হওয়ার সাধারণ কারণ ও এড়ানোর উপায়
প্রতি বছর অনেক আবেদন ছোট ছোট ভুলের কারণে বাতিল হয়ে যায়। সবচেয়ে সাধারণ ভুল হলো ভুল Directorate বেছে নেওয়া। দ্বিতীয় সাধারণ কারণ হলো আয়ের প্রমাণে ভুল তথ্য বা পুরোনো শংসাপত্র দেওয়া। তৃতীয় কারণ হলো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্যে ভুল – অ্যাকাউন্ট নম্বর বা IFSC Code ভুল হলে DBT পেমেন্ট ব্যর্থ হয়। চতুর্থ কারণ হলো ঝাপসা বা অসম্পূর্ণ নথির কপি আপলোড করা। পঞ্চম কারণ হলো একই কোর্সের জন্য দুটি সরকারি স্কলারশিপ নেওয়া, যা নিয়মের বিরুদ্ধে। ষষ্ঠ কারণ হলো রিনিউয়ালে দেরি করা বা নম্বরের শর্ত পূরণ না করা। এগুলি এড়ানোর একটাই উপায় – ফর্ম জমা দেওয়ার আগে প্রতিটি তথ্য আবার যাচাই করুন, নথি পরিষ্কার রাখুন এবং শেষ তারিখের অপেক্ষা না করে সময়মতো আবেদন করুন। আবেদনে কোনো ভুল ধরা পড়লে পোর্টালে দেওয়া সংশোধনের নির্দেশ অনুসরণ করুন এবং আপনার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
SVMCM Scholarship 2026-27: প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
SVMCM Scholarship 2026-27-এর আবেদন কবে শুরু হবে?
2026-27 শিক্ষাবর্ষের আবেদন শুরুর তারিখ ও শেষ তারিখ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়নি। 5 নভেম্বর 2026 তারিখে অফিসিয়াল পোর্টাল svmcm.wb.gov.in-এ এখনও 2025-26 শিক্ষাবর্ষের তথ্য দেখা যাচ্ছিল। তারিখ প্রকাশ হলে পোর্টালে Alert জারি হবে। আবেদনের আগে সবসময় অফিসিয়াল পোর্টালে তারিখ যাচাই করুন, কোনো ব্লগের দেওয়া তারিখকে চূড়ান্ত বলে ধরবেন না।
SVMCM Scholarship-এর জন্য কত শতাংশ নম্বর লাগবে?
HS ও UG স্তরের জন্য শেষ যোগ্যতা পরীক্ষায় অন্তত 60 শতাংশ নম্বর লাগবে। PG স্তরের জন্য Graduation-এ Honours বিষয়ে 53 শতাংশ নম্বর লাগবে, আর Engineering, Technology বা Pharmacy-তে PG-র জন্য 55 শতাংশ নম্বর লাগবে। Kanyashree K3-র অধীনে PG করা মেয়েদের জন্য এই সীমা 45 শতাংশ। B.Ed-এর জন্য নতুন আবেদনে 53 শতাংশ ও রিনিউয়ালে 50 শতাংশ নম্বর লাগবে।
SVMCM-এ পারিবারিক আয়ের সীমা কত?
পরিবারের মোট বার্ষিক আয় 2,50,000 টাকার বেশি হওয়া চলবে না। এই সীমা Board Toppers, Kanyashree K3 আবেদনকারী এবং M.Phil বা Ph.D আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। আয়ের শংসাপত্রে সবসময় সঠিক তথ্য দিন, কারণ ভুল তথ্য ধরা পড়লে স্কলারশিপ ফেরত নেওয়া হতে পারে এবং ভবিষ্যতে কোনো সরকারি স্কলারশিপের জন্য আবেদন করার অধিকারও হারাতে হতে পারে।
SVMCM Scholarship-এ কত টাকা পাওয়া যায়?
টাকার পরিমাণ কোর্স অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। HS ও UG Arts বা Commerce-এ মাসে 1,000 টাকা, UG Science ও Polytechnic Diploma-তে মাসে 1,500 টাকা, PG Arts ও Commerce-এ মাসে 2,000 টাকা, PG Science-এ মাসে 2,500 টাকা, Engineering, Medical UG ও Non-NET M.Phil-এ মাসে 5,000 টাকা এবং Non-NET Ph.D-তে মাসে 8,000 টাকা পাওয়া যায়। বার্ষিক টাকা 12,000 টাকা থেকে 96,000 টাকা পর্যন্ত হয়।
রিনিউয়ালের জন্য কত নম্বর লাগবে?
Higher Secondary স্তর থেকে Undergraduate স্তরে রিনিউয়ালের জন্য দুটি Semester মিলিয়ে অন্তত 60 শতাংশ নম্বর লাগবে। Post Graduate স্তরে রিনিউয়ালের জন্য দুটি Semester মিলিয়ে অন্তত 50 শতাংশ নম্বর লাগবে। সব Semester পরীক্ষা প্রথম প্রচেষ্টায় পাশ করতে হবে। পরের উচ্চ শ্রেণিতে ভর্তির এক মাসের মধ্যে রিনিউয়াল আবেদন জমা দিতে হয়।
SVMCM-এর সঙ্গে কি অন্য স্কলারশিপও নেওয়া যায়?
না। যে কোর্স বা স্তরের জন্য আপনি SVMCM নিচ্ছেন, সেই একই কোর্স বা স্তরের জন্য আপনি অন্য কোনো সরকারি স্কলারশিপ বা Stipend নিতে পারবেন না। তবে যেকোনো উৎস থেকে পাওয়া এককালীন অনুদান, বা প্রতিষ্ঠানের দেওয়া বিনামূল্যে বা আংশিক বিনামূল্যে পড়াশোনা এই স্কিমের সুবিধা পাওয়া থেকে বাধা দেবে না।
সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীরা SVMCM-এর জন্য কোথায় আবেদন করবে?
সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীরা SVMCM-এর জন্য NSP-WB পোর্টাল nspwb.wbmdfc.org-এর মাধ্যমে আবেদন করে, যা Aikyashree স্কিমের অধীনে চলে। 2026-27 শিক্ষাবর্ষের জন্য এই পোর্টালে আবেদন 1 আগস্ট 2026 থেকে শুরু হয়ে গেছে। মূল SVMCM পোর্টাল svmcm.wb.gov.in-এর সময়সূচি এর থেকে আলাদা।
SVMCM-এর টাকা কীভাবে পাওয়া যায়?
স্কলারশিপের টাকা Direct Benefit Transfer (DBT)-এর মাধ্যমে সরাসরি ছাত্রছাত্রীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। এর জন্য আবেদনে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর, ব্যাঙ্কের নাম এবং IFSC Code দিতে হয়। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছাত্রছাত্রীর নিজের নামে হতে হবে। পেমেন্ট ব্যর্থ হলে, আগের আর্থিক বছরের ব্যর্থ লেনদেন সংশোধনের শেষ তারিখ প্রতি বছর 30 জুন।
অফিসিয়াল লিংক
- SVMCM অফিসিয়াল পোর্টাল: https://svmcm.wb.gov.in/
- SVMCM About পেজ – যোগ্যতা ও টাকার অফিসিয়াল তথ্য: https://svmcm.wb.gov.in/page/about.php
- সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীদের জন্য NSP-WB পোর্টাল: https://nspwb.wbmdfc.org/
- West Bengal Higher Education Department: https://wbhed.gov.in/
শুধুমাত্র উপরে দেওয়া অফিসিয়াল পোর্টালেই আবেদন করুন। কোনো এজেন্ট বা দালালকে টাকা দেবেন না। SVMCM আবেদনের জন্য কোনো ফি নেওয়া হয় না, এবং স্কলারশিপ পাইয়ে দেওয়ার নামে কেউ টাকা চাইলে তা প্রতারণা। তারিখ, টাকা বা যোগ্যতা নিয়ে কোনো সন্দেহ থাকলে অফিসিয়াল নোটিশ যাচাই করুন। অফিসিয়াল নোটিশে কোনো তথ্য না পেলে আপনার প্রতিষ্ঠানের স্কলারশিপ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
আরও পড়ুন
- Aikyashree Scholarship 2026-27: পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীদের জন্য বৃত্তি
- Central Sector Scholarship 2026: জাতীয় মেধা বৃত্তি
Disclaimer: এই নিবন্ধটি একটি ব্যক্তিগত তথ্য পোর্টাল (সরকারি ওয়েবসাইট নয়) দ্বারা প্রকাশিত। এখানে দেওয়া তথ্য অফিসিয়াল পোর্টাল svmcm.wb.gov.in এবং West Bengal Higher Education Department-এর প্রকাশ্য তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি। লেখার সময় 2026-27 শিক্ষাবর্ষের তারিখগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়নি, তাই সেগুলিকে TBA হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আবেদন করার আগে অফিসিয়াল নোটিশ অবশ্যই যাচাই করুন।